বিল গেটস এর সাফল্যের ১০ সূত্র


বিল গেটস এর সাফল্যের ১০ সূত্র:

যুক্তরাষ্ট্রের ফোর্বস ম্যাগাজিনে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির তালিকায় গত ২২ বছরে টানা ১৭ বছর যার নাম শীর্ষে ছিল, তিনি বিল গেটস।

তিনি একাধারে ১৩ বছর ধরে পৃথিবীর সর্বোচ্চ ধনী ব্যক্তি। তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন টেকজায়ান্ট প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট।

তিনি পার্সোনাল কম্পিউটার বিপ্লবেরও একজন পথিকৃৎ।

বিল গেটস যুক্তরাষ্ট্রের ২য় মহান ব্যক্তি যিনি বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানে মোট ২৮ বিলিয়ন ডলার দান করেন।

চাকরিওয়ালা ডট কমের আজকের আয়োজন- বিল গেটস এর সাফল্যের ১০ সূত্র নিয়ে। চলুন, দেখে নেয়া যাক, তার সাফল্যের ১০ মূলমন্ত্র।
১. শক্ত মনের জোর থাকতে হবে:
বিল গেটস এর সাফল্যের ১০ সূত্র
Copyright: Department For International Development/Simon Davis

মাইক্রোসফট আজ বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের প্রতিষ্ঠান হলেও শুরুর দিকের গল্পটা কিন্তু এমন ছিল না।

মাইক্রোসফট শুরু করার সময় যেসব বন্ধুদের নিয়োগ দিয়েছিলেন, তাদের মাসিক বেতন কোথা থেকে আসবে, সেটা নিয়েই বিচলিত থাকতে হতো তাকে।

তবে মাইক্রোসফটের ভবিষ্যত নিয়ে তিনি খুবই উত্তেজিত ছিলেন। এমনকি তিনি যে বড় একটি ঝুঁকি নিয়েছেন সেটিও তার মাথায় ছিল না।

কিন্তু নিজের দক্ষতার ওপর পরিপূর্ণ আত্মবিশ্বাস নিয়েই তিনি কাজ শুরু করেন।

তিনি মনে করেন, একজন ব্যবসায়ীকে খুবই শক্তিশালী মনের অধিকারী হতে হবে।

কঠোর পরিশ্রম করতে তাকে এতটাই প্রস্তুত থাকতে হবে যে, বিশ্রাম নেয়ার মানসিকতা থেকেও তাকে বেরিয়ে আসতে হবে।

বিল গেটস জানান, মাইক্রোসফটকে স্বাভাবিক আয়ে পৌঁছতে ৩ থেকে ৪ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছিল।
২. বাজে পরিস্থিতির শিকার হওয়া:

পৃথিবীর অন্যতম সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেও প্রচলিত পড়াশুনায় বিল গেটসের আগ্রহ ছিল না। কম্পিউটার নিয়েই তিনি বেশিরভাগ সময় পরে থাকতেন। ফলে যা হবার তাই হলো। অকাশে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়লেন তিনি।

বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বললেন। জানালেন, নিজেই কিছু করতে চান। উচ্চ-মধ্যবিত্ত পরিবার তার আবদার মেনেও নিলো। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে যাওয়ার ৩৩ বছর পর ২০০৭ সালে সম্মানসূচক ডিগ্রি পান বিল গেটস। সেদিন ভাষণে বিল গেটস বলেন-

“যারা ফেল করেছে, তাদের মধ্যে আমিই সেরা। অবশেষে আমার সিভিতে একটি কলেজ ডিগ্রি যুক্ত হলো।”

অর্থাৎ, বিল গেটস মনে করেন, জীবনে বড় ধাক্কা খাওয়া বা বাজে পরিস্থিতির শিকার হওয়াও সাফল্যের অন্যতম মূলমন্ত্র।

পাঠকদের জন্য বিল গেটসের পুরো ভাষণটি শেয়ার করা হলো:

৩. কঠোর পরিশ্রম করুন:

মাইক্রোসফটের শুরুর দিকে সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও কঠোর পরিশ্রম করেছেন বিল গেটস।

সেসময়ে বছরে মাত্র দুই সপ্তাহ বিশ্রাম নিতেন তিনি। আর সেই দুই সপ্তাহ তিনি ব্যয় করতেন বই পড়া ও ব্যবসার ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তার কাজে।

তাই বলাই যায়, সাফল্য অর্জনে কঠোর পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতেই হবে।

পৃথিবীর সব সফলতার পেছনেই আছে কঠোর পরিশ্রমের গল্প। বিল গেটসও তার ব্যতিক্রম নন।
৪. ভবিষ্যতকে তৈরি করুন:

ভবিষ্যতের চাহিদার কথা মাথায় রাখুন। প্রতিষ্ঠানকে নিয়মিত আপডেট করুন। নতুন নতুন আইডিয়াকে সামনে নিয়ে আসুন। মাইক্রোসফট অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে বিল গেটস তখনকার বড় বড় প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তিগত চাহিদা মিটিয়ে ছিলেন। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোফট এক্সেলের মতো শক্তিশালী অফিস এপ্লিকেশন সফটওয়ার ছিল বাজারে অপ্রতিদ্বন্দ্বী।

যুবক বিল গেটসের সফটওয়ার লার্নিং ভিডিও সিরিজের ভূমিকাটুকু দেখুন:

৫. নিজের কাজ উপভোগ করুন:

আপনি যে কাজটি করছেন সেটি আপনাকে উপভোগ করতে হবে।

বিল গেটসের মতে, স্মার্ট মানুষদের সঙ্গে কাজ করা, সাফল্য নিয়ে চিন্তা করা, নতুন সমস্যা নিয়ে কাজ করা খুবই উপভোগ্য একটা ব্যাপার।

আর আপনি নিজের কাজকে যদি উপভোগই করতে না পারেন, তবে আপনি কাজকে ভালোবাসতে পারবেন না।

আর কাজকে ভালোবাসতে না পারলে সফল হওয়া মোটামুটি অসম্ভব। তাই কাজকে ভালবাসুন, নতুন কিছু করার চেষ্টা করুন।
৬. কার্ড খেলুন:

বিল গেটসের প্রিয় খেলা কার্ড। তার মতে, ব্রিজ খেলার বেশ কিছু ভালো দিক রয়েছে। এই খেলা আপনাকে চিন্তা করতে সাহায্য করে। যে ব্যক্তি ব্রিজে ভালো সে অন্য অনেক কিছুতেও ভালো।
৭. অন্যের কাছে পরামর্শ চান:

যেকোনো ব্যবসায়ীক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে, অন্যের কাছে পরামর্শ চাওয়ার ব্যাপারে, বিল গেটস এক সাক্ষাৎকারে বলেন,

“আমি আমার বাবার সঙ্গে কথা বলেছি। আমি ওয়ারেন বাফেটের সঙ্গে কথা বলেছি। আমার স্ত্রী মেলিন্ডার সঙ্গে কথা বলেছি। আমার আশেপাশে অনেক মানুষ রয়েছেন, যারা আমাকে জানেন। আমি অনেক সময় কোনো কিছু নিয়ে খুব বেশি উত্তেজিত হয়ে যাই। আবার অনেক কিছু নিয়ে ভাবতেও ভুলে যাই। তখন আমার বন্ধু ও উপদেষ্টারা আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেন। ”

হতে পারে আপনার কাছে কিছু আইডিয়া আছে যেটা আরেকজনের কাছে নেই।

আবার, আরেকজনের কাছে যে আইডিয়াটা আছে সেটা হয়তবা আপনার কাছে নাই।

তাই কাছের লোকদের সঙ্গে আলাপ করা ও পরামর্শ চাওয়া বুদ্ধিমান ব্যক্তিত্বের পরিচায়ক।
৮. ভালো মানুষ নিয়োগ দিন:

এমন ব্যক্তিদেরই আপনি আপনার ব্যবসায় সংযুক্ত করুন, যাদেরকে আপনি পরিপূর্ণভাবে বিশ্বাস করতে পারেন।

পল অ্যালেনের সঙ্গে বিল গেটসের পার্টনারশিপে যাওয়া, বা বন্ধুদের নিয়োগ দেয়ার পেছনে তাদের উপর বিল গেটসের আস্থাই সবচেয়ে বেশি কাজ করেছে।

তিনি মনে করেন, নিয়োগের ক্ষেত্রে এমন ব্যক্তিকে নিয়োগ দিবেন, যাদের সঙ্গে আপনার কমন ভিশন অাছে, যদিও আপনাদের দক্ষতার ক্ষেত্র ভিন্ন হতে পারে।

বিল গেটস বিশ্বাস করেন, কোনো ব্যবসায় সঠিক পার্টনার খুঁজে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

একটা প্রতিষ্ঠানে কাস্টমারদের পরে সবচেয়ে বড় সম্পদ হল কর্মচারীরা। তাদের পরিশ্রমের বলেই কোম্পানিটি ধীরে ধীরে সবল হতে শুরু করবে।

তাই নিয়োগের সময়ও অবশ্যই সৎ ও পরিশ্রমী লোক নিয়োগ দিতে হবে।
৯. গড়িমসি করবেন না:

বিল গেটস বলেন,

“আমি যখন কলেজে ছিলাম,পরীক্ষার প্রস্তুতি বা ক্লাস ধরার ক্ষেত্রে আমি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতাম। কিন্তু যখন আমি ব্যবসায় নামলাম, সম্পূর্ণ পাল্টে গেলাম। ”

তাই কোনো কাজেই আজ না কাল, কাল না পরশু এমন করা যাবে না। যখন যে কাজটি করার প্রয়োজনবোধ করবেন তখনই সেটি করে ফেলবেন।
১০. নিজের মধ্যে রসবোধ জীবিত রাখুন:

আপনি যদি নিজের জীবনের প্রতি রসবোধ খুঁজে না পান তাহলে আপনার জীবন বিমর্ষ হয়ে উঠবে।

আর যদি রসবোধ খুঁজে পান তাহলে আপনার কাছে সকল কিছুই করা সম্ভব বলে মনে হবে। তাই নিজের রসবোধ জীবিত রাখুন।

তাই বলি, লেগে থাকুন, হাসতে থাকুন, নিজের ভবিষ্যতকে গড়তে থাকুন। কথা দিচ্ছি, চাকরিওয়ালা ডট কমকে সব সময় পাশে পাবেন বন্ধু হিসেবে।

এই টিউন টি আমার ব্লগ এ প্রকাশিত হয়েছে কিছুদিন আগে।

Advertisements
Posted in Important News | Tagged , , , | Leave a comment

আপনার স্মার্ট কার্ড কবে কোথায় দেওয়া হবে তা জেনেনিন (বিস্তারিত)


দীর্ঘ ৫ বছরের অপেক্ষার পর আজ (০৩ অক্টোবর) থেকে দেওয়া হচ্ছে উন্নতমানের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা স্মার্টকার্ড। আপনার স্মার্ট কার্ড কবে কোথায় দেওয়া হবে তা জানতে যা যা করতে হবে- ক) ওয়েবসাইটের মাধ্য…

Source: আপনার স্মার্ট কার্ড কবে কোথায় দেওয়া হবে তা জেনেনিন (বিস্তারিত)

Posted in Uncategorized | Leave a comment

আপনার স্মার্ট কার্ড কবে কোথায় দেওয়া হবে তা জেনেনিন (বিস্তারিত)


দীর্ঘ ৫ বছরের অপেক্ষার পর আজ (০৩ অক্টোবর) থেকে দেওয়া হচ্ছে উন্নতমানের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা স্মার্টকার্ড।
আপনার স্মার্ট কার্ড কবে কোথায় দেওয়া হবে তা জানতে যা যা করতে হবে- ক) ওয়েবসাইটের মাধ্যমেঃ ১. এই লিংকে প্রবেশ করুন-https://services.nidw.gov.bd/card_distribution ২. আপনার এনআইডি নম্বর বা ভোটার নিবন্ধন ফরমের স্লিপ নম্বর, জন্ম তারিখ ও ক্যাপচা লিখুন। ৩. ‘কার্ড বিতরণ তথ্য দেখুন’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।
৪. এরপর যে উইন্ডো আসবে সেখানেই থাকবে কবে, কোন ক্যাম্পে আপনার স্মার্টকার্ডটি কবে দেওয়া হবে।
৫. যদি লেখা উঠে – “No data found for: Your card distribution date is not scheduled yet, please try later.”; তাহলে বুঝতে হবে আপনার এলাকায় কবে স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে তার তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি। আর কিছুদিন পর আবার ট্রাই করবেন।
খ) মোবাইলের মেসেজের মাধ্যমেঃ মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে SC লিখে স্পেস দিয়ে ১৭ ডিজিটের এনআইডি নম্বর লিখতে হবে। যাদের এনআইডি নম্বর ১৩ ডিজিটের, তারা প্রথমে জন্ম সাল যুক্ত করে নেবেন। এরপর তা ১০৫ নম্বরে পাঠালেই ফিরতি মেসেজে জানিয়ে দেওয়ার তথ্য।
এদিকে যারা এখনো NID পাননি তারা প্রথমে SC লিখে স্পেস দেবেন। এরপর F লিখে স্পেস দিয়ে নিবন্ধন ফরম নম্বর লিখবেন। আবারও স্পেস দিয়ে D লিখে yyy-mmm-ddd ফরম্যাটে জন্মতারিখ লিখে ১০৫ নম্বরে মেসেজ সেন্ড করবেন। ফিরতি মেসেজে আপনার এনআইডি কবে কোথায় কোন ক্যাম্পে দেওয়া হবে তা জানানো হবে।
গ) মোবাইলের মাধ্যমে কল করেঃ ১০৫ নম্বরে কল করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে জানতে পারবেন।
উল্লেখ্য, ৩ অক্টোবর থেকে ঢাকার উত্তরা ও রমনা থানার ভোটার ও কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলায় দাসিয়াছড়ার ভোটারদের স্মার্টকার্ড দেওয়া হবে। প্রথমে ঢাকার দুই সিটি, এরপর অন্য নয় সিটি, তারপর জেলা পর্যায়ে স্মার্টকার্ড বিতরণ করা হবে। সবশেষে পাবেন উপজেলা পর্যায়ের ভোটাররা।
বি.দ্র. ১৭ ডিজিটের NID (National ID) Card নম্বর লিখতে হবে। যাদের NID নম্বর ১৩ ডিজিটের, তারা প্রথমে জন্ম সাল যুক্ত করে নেবেন। যেমন: 1980 লিখে NID নম্বর শুরু হবে।
পোস্টটি শেয়ার করুন। এই তথ্যগুলো না জানার কারণে আপনার স্মার্ট কার্ডটি পেতে সমস্যায় পড়তে পারেন। কারণ নির্দিষ্ট দিনে সশরীরে নির্দিষ্ট স্থানে হাজির হয়ে আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করে স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করতে হবে।

Posted in Important News, Science and Technology | Tagged , , | Leave a comment

S . S. C English 2 nd Paper সাজেশান সকল বোর্ডের জন্য 100% কমন পড়বে ইনশাআল্লাহ! !


SSC Exam 2017 English Second Paper 100% Common Suggestion

CV with Cover letter

  1. For a Computer Operator 2. For a Personal Assistant 3. For a Teacher in English 4. For an Assistant marketing Manager 5. For an Office Executive 6. For the position of a Journalist 7. For the position of receptionist 8. For the post of an Auditor 9. For the Post of a clerk 10. For the position of a tutor

Formal Letter

1.Testimonial 2. Sinking a deep tube well 3.Setting up a debating club.
4.
Setting up a canteen 5.Common room facilities 6. ***Seat in the School hoste 7.Relief goods and Medical Sides.
8. Study Tour/Excursion 9.Application for TC 10. **Morning School 11. **For repairing the direction a bridge.
12. **For Full free studentship

Paragraph

  1. *Traffic Jam 2. ***National Flag 3. **A good teacher 4. **Rickshaw puller 5. **Mobile Phone 6. **Deforestation 7. ***A Rainy Day 8. ***Road Accident 9. ***A Street hawker/beggar 10. **Early Rising 11. ***School Magazine 12. ***A Farmer/ A day laborer 13. **A Railway Station/A Bus Stand 14. *Village Doctor 15. **A moon lit night 16. A winter morning

Composition Writing

1.Computer 2.The Season You Like Most 3.Importance of Reading Newspaper 4.Physical Exercise 5.Population Problem in Bangladesh 6.Student Life 7.Modern Science 8.Discipline 9.***Your Aim in Life 10.A Village Fair/ Market 11.Value of time 12.Television 13.Your Childhood Memories 14.*The Journey you have recently enjoye 15.*** The game you like most

Posted in School | Tagged , , , , | Leave a comment

ফেসবুকে ছরিয়ে পরেছে এক মারাত্বক ভাইরাস। সময় থাকতে সাবধান হোন এখনিই না হলেই পরবেন বিপদে…….VIRUS at FB


Facebook এ একটা virus খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ফেসবুক Messanger এর মাধ্যমে। অনুগ্রহ পূর্বক কেউ কোনো লিংক এ (ভিডিও ক্লিপ) ক্লিক করবেন না।

কারণ ভাইরাস টা ভিডিও ক্লিপ এর লিঙ্ক। আমার ইনবক্সেও আসছে। যেমন মিজানুর ভিডিও- আপনারা এমন লিঙ্ক পেলে ভুল করেও ক্লিক করবেন না। যাদের ব্রাউজারে অনেক ইনফরমেশন থাকে তা চুরি হয়ে যেতে পারে। এমনকি আপনার প্রিয় আইডি টাও। আর যারা অনলাইনে ইনকাম করেন তাদের জন্য তো আর রিস্কি। হারিয়ে যেতে পারে অনেক মুল্যবান তথ্য। ফাইরাস টি শুধু ইনবক্সেই না টাইমলাইনেও দেখা যাচ্ছে। ভিডিও ক্লিপ আকারে। তাই একটু সাবধান থাকবেন

যদিও ভুল করে ক্লিক করে ফেলেন তাহলে ফেসবুকের সেটিংস এ চলে যান তারপর App এ ক্লিক করেন। সব App ডিলেট করে দিন

fb-app-remove

এবং Apps, Website and Plugins Disabled করে দিন।

ব্রাউজারের হিস্টোরি কুকিজ সব ডিলেট করে দিন।
এবং Password Change করে নিন।
এবং ফেসবুক থেকে আপনার এক্টিভিটি End করে দিন।

Facebook Activity End করার জন্য

Security Settings থেকে

Where You’re Logged In এ গিয়ে সব END করে দিন।fb-end-activity

এই স্ক্রিনশট দেখে বুঝে নিন ধন্যবাদ। নিরাপদে থাকুন, সুস্থ থাকুন। আপনাদের জন্য দোয়া রইলো।
আমার জন্যো দোয়া করবেন।

Posted in Facebook tips, Hacking, Internet | Tagged , , , , , , , , | Leave a comment

এখন থেকে 1-10 শ্রেণি পরযন্ত বই আপনার এন্ড্রোয়েড এ পড়তে পারবেন, যাদের দরকার নিয়ে নিন ।


প্রিয় বন্ধুরা, শুভ সকাল, আশা করি সৃষ্টি কর্তার কৃপায় সবাই ভালো আছেন ।
আমিও ভালো আছি ।
আজ আমি আপনাদের জন্য বিশেষ করে যারা 1-10 পরযন্ত লেখাপড়া করে তাদের জন্য বোর্ড বই কর্তৃক পাঠ্য বই নিয়ে এসেছি । আশা করি সবারই কাজে লাগবে ।

screenshot_2016-09-05-06-48-31

বন্ধরা আপনারা হয়তো অনেক দিন ধরেই বইগুলোর খোজে আছেন ।
বইয়ের এপসটি নিতে এখান থেকে নিয়ে নিন , সরাসরি গুগোল প্লেস্টোরি থেকে

আশা করি আপনাদের অনেক কাজে লাগবে ।
আজ এখানেই শেষ করছি , সবাই ভালো থাকবেন ।

 

Posted in Apps Review, Pdf File | Tagged , , , , | Leave a comment

পুরনো পাসওয়ার্ড না জেনেই নিমেষের মধ্যে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে ফেলুন!!


আজকে এখানে আমি যে পদ্ধতিটা বলব তার সাহায্যে আপনি নিমেষের মধ্যেই আপনার কোন বন্ধুর বা অন্য কারোর লগিন করা পিসির পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে ফেলতে পারবেন পুরনো পাসওয়ার্ড সম্পর্কে কোন রকম তথ্য ছাড়াই।
এজন্য আপনাকে প্রথমে কমান্ড প্রম্পট খোলার জন্য Start > All Programs > Accessories > Command Prompt-এ গিয়ে ক্লিক করতে হবে অথবা, উইন্ডোজ +R চেপে Run এ গিয়ে CMD লিখে এন্টার দিন।
Command Prompt উইন্ডো ওপেন হবে।
এরপর C:> প্রম্পটে গিয়ে net user username newpassword লিখে এন্টার দিন।
উদাহরন :- মনে করুন আপনার বন্ধুর ইউজারনেম Tanmoy, আর আপনি নতুন যে পাসওয়ার্ডে পরিবর্তন করতে চাচ্ছেন সেটি হল Baghaban তাহলে আপনাকে লিখতে হবে- net user Tanmoy Baghaban ব্যস হয়ে গেল।
এবার Command Prompt উইন্ডো বন্ধ করে চেক করে দেখুন আপনি আপনার বন্ধুর কম্পিঊটারের পাসওয়ার্ড সফলভাবে পরিবর্তন করতে পেরেছেন কিনা, ও হ্যাঁ আমাকে মন্তব্য করে জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।
বিঃদ্রঃ – অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে লগ-ইন করা থাকতে হবে।

Posted in Hacking | Tagged , , , | Leave a comment

যারা বিনা হিসাবে জান্নাত যাবেন


মানুষের মধ্যে কিছু গুণ ও বৈশিষ্ট্য থাকলে তারা বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে।

হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত
প্রিয় নবী হজরত মুহম্মদ (সা.) ইরশাদ করেছেন, আমার উম্মতের মধ্যে সত্তর হাজার লোক হিসাব-নিকাশ ব্যতিরেকেই বেহেশতে প্রবেশ করবে।
তারা হলো, মন্ত্রতন্ত্র দ্বারা ঝাড়-ফুঁক করায় না, অশুভ লক্ষণাদিতে বিশ্বাস করে না এবং তারা শুধু তাদের প্রতিপালকের ওপর নির্ভর করে।
(বোখারি ও মুসলিম)।

এই হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয়, যারা সুখে-দুঃখে সর্বাবস্থায় একমাত্র আল্লাহর ওপর আস্থা রাখে, অবিচল বিশ্বাস স্থাপন করে তারাই আল্লাহর প্রিয় বান্দা। এর দ্বারা আরও প্রমাণিত
হয়, আমাদের সমাজে প্রচলিত
জাদুবিদ্যা, মন্ত্রতন্ত্র, ঝাড়ফুঁক, কবিরাজি ইসলাম সমর্থন করে না।

কারণ এতে নাজায়েজ অনেক কাজও হয়। আল্লাহর ওপর কোনো আস্থা থাকে না। থাকে কবিরাজের কারিশমা ও জাদুমন্ত্রের ওপর। তবে চিকিৎসা করা সুন্নত। কারণ, নবী করিম (সা.) নিজেও অসুস্থ হয়ে চিকিৎসা করেছিলেন।

আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে জায়েজ উপায়ে যদি চিকিৎসা করা হয় তাতে কোনো সমস্যা নেই। পবিত্র কোরআন শরিফের কিছু আয়াত আছে যেগুলো পড়ে ফুঁ দিলে মানুষের উপকার হয়। হাদিস শরিফেও কিছু দোয়া বর্ণিত আছে যা চিকিৎসা সেবায় উপকারী। আল্লাহর ওপর পূর্ণ বিশ্বাস ও অবিচল আস্থাশীল বান্দাদের বিনা হিসাবে জান্নাতে যাওয়ার ব্যাপারে অন্য বর্ণনায় হাদিসটি দীর্ঘভাবে বর্ণিত
হয়েছে। একবার রসুল (সা.) বাইরে এসে সাহাবিদের বললেন, পূর্ববর্তী নবীদের উম্মতদের আমার সামনে উপস্থিত করা হলো। আমি দেখলাম, একজন নবী চলে যাচ্ছেন আর তার সঙ্গে রয়েছেন মাত্র একজন ব্যক্তি। আরেকজন নবী চলে যাচ্ছেন তার সঙ্গে রয়েছেন শুধু দুজন লোক। আরেকজন নবীর সঙ্গে দেখলাম মাত্র একদল লোক। একজন নবীকে এমনও দেখলাম, তার সঙ্গে একজন লোকও নেই। এরপর আমি দেখলাম, একটি বিরাট জনতার দল। যা চতুর্দিকে ছড়িয়ে রয়েছে। তখন আমি মনে মনে এরূপ আকাঙ্ক্ষা করলাম, আহা! এ জামাতটি যদি আমার উম্মতের হতো!

তখন বলা হলো, এরা হজরত মুসা (আ.)-এর কওম। তারপর আমাকে বলা হলো, আপনি ভালো করে তাকিয়ে দেখুন। তখন বিশাল সমাবেশ দেখলাম। বলা হলো, আপনি সব দিকে তাকান। আমি সবদিকে তাকিয়ে বিরাট জামাত
দেখতে পেলাম। তখন আমাকে বলা হয়, এরা সবাই আপনার উম্মত। তাদের সম্মুখভাগে রয়েছে সত্তর হাজার লোক। যারা হিসাব-নিকাশ ছাড়াই বেহেশতে প্রবেশ করবে। তারা ওই সব লোক যারা অশুভ ও অমঙ্গল চিহ্ন বা কুলক্ষণ ইত্যাদি মানে না ও বিশ্বাস করে না, ঝাড়ফুঁক ও মন্ত্রতন্ত্রে আস্থা রাখে না, আগুনে উত্তপ্ত লোহার দাগ লাগায় না। তারা তাদের প্রতিপালকের ওপর নির্ভর করে।

মহান আল্লাহ আমাদের তাঁর ওপর পরিপূর্ণ আস্থা রাখার তৌফিক দান করুন। আমিন।

Posted in Islamic Articles | Tagged , | Leave a comment

সি প্রোগ্রামীং এর বেসিক কিছু তথ্য এবং কোডিং করার জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার


অনেকেই প্রোগ্রামিং এর উপর টিউটোরিয়াল দিতে বলেছেন । তাই ভাবছি ধারাবাহিক ভাবে টিউটোরিয়াল দিবো সি এবং ভিজুয়্যাল বেসিকের উপর । যাইহোক, আজকে আমরা সি প্রোগ্রামীং এর একদম বেসিক কিছু তথ্য জানবো এবং কোডিং করার জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ডাউনলোড করবো ।

সি প্রোগ্রামীং কি?

সি হচ্ছে একটি প্রোগ্রামীং ভাষা, কম্পিউটার সাধারনত দুটি সংখ্যা বুঝে একটা হলো 0 এবং অপরটা হলো ১ ।অন্যান্য বিদ্যুৎ চালীত যন্ত্রের মতন কম্পিউটারও শুধুমাত্র  বিদ্যুৎ আছে অথবা নাই, এই দুইটা অবস্থা বুঝতে পারে । প্রাথমিক দিকে যখন প্রোগ্রামীং করা হতো তখন এই দুইটি সংখ্যা দিয়েই মূলত প্রোগ্রাম বানানো হতো ।আর এ ধরনের প্রোগ্রামের ভাষা কে Assembly Language  বলা হয় । কিন্তু, এই পদ্ধতিটা অনেক বেশী জটিল হওয়ায় পরবর্তিতে বিভিন্ন High Level Language এর উদ্ভাবন ঘটে ।

সি ল্যাঙ্গুয়েজের জন্মকথা:

ডেনিশ রিচি সি ল্যাঙ্গুয়েজ এর সূচনা করেন ।  তখন এটি মূলত ইউনিক্স কে টার্গেট করে ডিজাইন করা হয়েছিল এবং প্রায় ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত এর ব্যবহার বেল ল্যাবরেটরি এর মধ্যেই সীমিত ছিল।  ১৯৭৮ সালে কারনিহান (Kernighan) এবং রিচি (Ritchie) “The C Programming Language” নামে সি ল্যাঙ্গুয়েজ এর বিস্তারিত  বিবরন  দিয়ে একটা প্রকাশনা বের করেন, যা “K & R C” নামেও পরিচিত ।

প্রাথমিক অবস্থায় সি বানানো হয়ে ছিলো অপারেটিং সিস্টেম UNIX এর জন্য । পরবর্তিতে এটি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয় ।

নোট: জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম লিন্যাক্স সি দিয়ে বানানো ।

সি প্রোগ্রাম করতে কি কি প্রয়োজন ?

মূলত দুই দরনের টুলস্ কিনবা সফটওয়্যারের প্রয়োজন আছে :

১)  প্রোগ্রাম লেখার জন্য সফটওয়্যার

২) লিখিত প্রোগ্রাম চালানোর উপযোগী করার জন্য  সফটওয়্যার

তবে স্ট্যান্ডার্ড IDE তে ই এর সব কিছু পাওয়া যাবে ।তাই এই একটি সফটওয়্যার ডাউনলোড করলেই চলবে ।

ক) প্রোগ্রাম লেখার জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যারঃ সি তে প্রোগ্রাম লেখার জন্য বিশেষ কোন সফটওয়্যার এর দরকার নাই।   যে কোন এডিটর সফটওয়্যার (যেমন- নোটপ্যাড, নোটপ্যাড++, জিইডিট) ব্যবহার করেই কোডিং করা সম্ভব । তবে  কোডিং সহজে করার জন্য আমরা আইডিই (IDE) বা Integrated Development Environment  নামে পরিচিত। জনপ্রিয় কিছু IDE হলো:

·         কোডব্লোকস,

·         ভিজুয়্যাল স্টুডিও

·         টার্বো সি ইত্যাদি ।

খ) লিখিত প্রোগ্রাম চালানোর উপযোগী করার জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যারঃ প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে লেখা কোন প্রোগ্রাম চালানোর উপযোগী করার জন্য সাধারণত দুই ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়-

১। কম্পাইলার : এই টাইপের সফটওয়্যার গুলো সাধারণত পুরো একটা প্রোগ্রাম কে ইনপুট হিসাবে নেয় । এরপর Debugging এর মাধ্যমে সেগুলোতে কোন ইরর বা ত্রুটি আছে কিনা দেখে, না থাকলে প্রোগ্রাম টাকে একটা Intermediate Object  কোডে রূপান্তরিত করে । এরপর Object  কোড টাকে executable কোডে রূপান্তরিত করে ।

২। ইন্টারপ্রিটার : ইন্টারপ্রিটার টাইপের সফটওয়্যার গুলো সাধারণত প্রোগ্রাম এর এক একটা লাইন কে ইনপুট হিসাবে নেয়, তাতে কোন ভুল বা ত্রুটি আছে কিনা দেখে, আর না থাকলে তা এক্সিকিউট করে।

প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার:

http://www.codeblocks.org/downloads/binaries

উপরের ওয়েবসাইট তে যাই । এখানে উইন্ডোজ (Windows), লিনাক্স (Linux), ম্যাক (Mac OS X) এর জন্য বাইনারী ফাইল দেয়া আছে যেগুলো ডাউনলোড করে সরাসরি ইন্সটল করা যাবে।

i)  codeblocks-13.12mingw-setup.exe ( আপনারা এটা ডাউনলোড করবেন এতে কম্পাইলার দেওয়া আছে)

লিনাক্সে কমান্ড লাইন ব্যবহার করে কোডব্লোকস ইন্সটল করার পদ্ধতি:

প্রথমে সফটওয়্যারের প্যাকেজলিস্ট আপডেট করে নিতে হবে :

sudo apt-get update

এরপর কোডব্লোকস চালানোর জন্য নিচের প্যাকেজটি ইন্সটল করতে হবে, এটি মুলত g++ ইন্সটল করে ।

sudo apt-get install build-essential

এরপর  আমরা কোডব্লোকস ইন্সটল করার জন্য নিচের কমান্ডটি ব্যবহার করবো:

sudo apt-get install codeblocks

ইন্সটল করা হয়ে গেলে টার্মিনাল থেকে codeblocks এই কমান্ডটি দিলেই কোডব্লোকস রান করবে । আপনি চাইলে অ্যাপলিকেশন মেনু থেকেও কোডব্লোকস রান করতে পারবেন।

Posted in C Programming | Tagged , , | Leave a comment

এখন এন্ড্রয়েড দিয়ে ব্লক করুন যেকোনো ওয়েবসাইট!!!!!!


আপনার পছন্দের এন্ড্রয়েড ফোন থেকে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে কেউ যাতে “যততত্র” যেকোনো ওয়েবসাইটে ঢুকতে না পারে, সে ব্যবস্থা এখন আপনি সহজেই করতে পারবেন।
স্মার্টফোনে নির্দিষ্ট কিছু ওয়েবসাইট যাতে না খোলে (অর্থাৎ ব্লক করে রাখা), সেজন্য এই সাইট ব্লক করে রাখতে হয়। আর এজন্য সবচেয়ে ভাল হয় Host Editor নামের Application টি।
এই অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে নেটওয়ার্কের Host File কে সম্পাদন করার মাধ্যমে আপনার স্মার্টফোনে সাইট ব্রাউজিংয়ের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আনতে পারেন।
Host Editor app টি মূলত একেকটি ওয়েবসাইটের জন্য একেকটি IP Address নির্ধারণকরে দেয় এবং অনুমতি ছাড়া কাউকে আপনার ব্লক করে রাখা সাইটে প্রবেশ করতে দেয় না।
এজন্য আপনাকে যা করতে হবে, তা হলো- প্লে-স্টোর থেকে “Host Editor” app টি প্রথমে নামিয়ে Instoll করে নিন।
ইনস্টল শেষে সেটি চালু করে menu থেকে new entry নির্বাচন করুন।এবার IP Address ঘরে 127.0.0.1 লিখে Host Entry ঘরে আপনি যে ওয়েবসাইটি ব্লক করতে চান, তার ঠিকানা (যেমন facebook.com) লিখে Save New Host বাটন চেপে সেটি সংরক্ষণ করে নিন।
এভাবে আপনার যতগুলো ওয়েবসাইট ব্লক করা দরকার, New Entry চেপে তা করে নিতে পারেন।
খেয়াল রাখবেন, প্রথমে যে সাইট ব্লক করবেন তার জন্য IP Address ঘরে 127.0.0.1 লিখলে দ্বিতীয়টির জন্য IP Address ঘরে 127.0.0.2লিখতে হবে।
এভাবে আপনি যতগুলো ওয়েবসাইট ব্লক করবেন,প্রতিবার IP Address এর ঘরের আইপি ঠিকানার শেষের ব্লক পর্যায়ক্রমে বাড়তে থাকবে।
এভাবে কাজটি করলে আপনার নির্দিষ্ট করা সাইটটি ব্লক হবে এবংকেউ সেটি Visit করতে (ঢুকতে)পারবে না।

 

Posted in Android Tips, Internet | Tagged , , , | Leave a comment